সুজন

চে এবং তানিয়ার এই ছবিটি অবলম্বনে গানটি রচিত

ভাষ্য: আমার ঘরের পাশে আরশিনগর না। আমার ঘরের পাশে রাধাচূড়া গাছ আর তাতে কাকের বাসা। আমি যেমন সারাদিন কথাবার্তা বলি, চেঁচামেচি করি, তাঁরাও তেমনি তা করে থাকেন, এবং তাঁরা তা করবেন ও করছেন।

এ লিরিকের নাম ‘চিরবিদ্রোহীর সুজন’।

ন্যাকাদের সাজুগুজু ডিজাইনারের দুনিয়ায়
পরিবর্তন আসে, পরিবর্তন চলে যায়
কার প্রিয় সরপুঁটি, কার ফেভারিট হেমলক
দেবাদেবী নিয়ে পোজ, এনতার ফ্ল্যাশের কুহক
হাভানার সৌধয় শুয়ে আছ তোমরা দু’জন
মরণোত্তর প্রেমে চিরবিদ্রোহীর সুজন।

কোটেশ্বরের সাথে দেখা হয়েছে কি আজ ভোরে
আজাদও ও মুলুকেই, তাকে চিনে নিও ভাল করে
তানিয়া শোনাবে গান অ্যাকর্ডিয়ানের ডানা মেলে
কবরে কবরে ফের তোমরা দু’জন চুমু খেলে
হাভানার সৌধয় শুয়ে আছ তোমরা দু’জন
মরণোত্তর প্রেমে চিরবিদ্রোহীর সুজন।

ন্যাকাদের দুনিয়ায় সোনালী অ্যাসিডে পুড়ে যায়
কী খেতে কে ভালবাসে বাঙালির পুবালি হাওয়ায়
সোনি সোরি নামটাও ডিজাইনারের নেই চেনা
শর্মিলা চানুকেও খুব বেশি লোক চিনবে না।
হাভানার সৌধয় শুয়ে আছ তোমরা দু’জন
মরণোত্তর প্রেমে চিরবিদ্রোহীর সুজন।

করোনি বাংলা ছবি, কিংবা হিন্দি পুসিক্যাট
ঘুষের টাকায় তুমি কিনলে না ক্রিকেটের ব্যাট
গানওলার কেচ্ছাটা ছাপোনি সচিত্র ম্যাগাজিনে
পাবলিক মেমরি যে ভেরি শর্ট বোঝ এতদিনে
হাভানার সৌধয় শুয়ে আছ তোমরা দু’জন
মরণোত্তর প্রেমে চিরবিদ্রোহীর সুজন।

ন্যাকাদের সাজুগুজু, গিটার সঙ্গে নিয়ে ঘোরা
গুয়ানতানামেরা বলে ডাক ছেড়ে গান ধর তোরা
এই তো জিন্দেগানি, হোঁঠো মে গুলাব, চোরিচোরি
সুখে থাক, ভাবিস না কার যেন নাম সোনি সোরি
জানবি না লালগড়ে মরেও লালমোহন বাঁচে
ছত্তিশগড়ে ফের চে নামে আগুনের আঁচে।

It's only fair to share...Share on FacebookTweet about this on TwitterGoogle+
Website designed and developed by Code Flavor

Facebook

Get the Facebook Likebox Slider Pro for WordPress