বাদলবন

“I dedicate this song to my extraordinary friend Subrata Ghosh whose rainforest experiences inspired me to make this song…”

মানুষ তুমি দূরেই থেকো
তোমার ছোঁয়া ধ্বংস আনে
বাদলবন থাকবে ভালো
বৃষ্টি জানে বনও জানে।

বাদলবনে কোটি বছর
ভেজামাটির গর্ভ চেনে
হলুদ পোকা ডাগর চোখে
দেখছে সব আপন জেনে।

লতানে গাছ জাপটে ধরে
বন্ধু গাছ হাত বাড়ায়
সূর্য তুমি সবার থেকো
বাদলবন তোমায় চায়।

তোমায় চায় এই গ্রহের
প্রতিটি গাছ জানি না নাম
এখানে কোটি কোটি বছর
গড়েছে তার বনমোকাম।

এখানে শুধু জন্ম আর
মৃত্যু আর নবজীবন
হলুদ পোকা ডাগর চোখে
দেখছে তার বাদলবন।।

+++++

Rainforest-এর কথা দু’একবার পড়েছি পাশ্চাত্যে থাকাকালে। সত্যি বলতে, “মানুষ” নিয়ে এতো ব্যস্ত ছিলাম দীর্ঘকাল বোকার মতো যে বিষয়টাতে মন দিইনি তেমন। আমার (বিস্ময়কর) বন্ধু সুব্রত ঘোষ ২০০৯ সালের ডিসেম্বর মাসে মালয়েশিয়ার Taman Negara Rainforest-এ যান এবং ফিরে এসে, ততদিনে ২০১০ এসে গিয়েছে, আমায় তাঁর অসাধারণ অভিজ্ঞতার কথা বলেন এবং তাঁর তোলা ভিডিও দেখান। সেই প্রথম একজনকে দেখলাম যিনি Rainforest-এ গিয়েছেন সশরীরে। ভাবতে ভাবতে “বাদলবন” নামটি আমার মাথায় আসে।

সুব্রতকে কথা দিয়েছিলাম – একটা গান বেঁধে দেব। তাঁর কাছ থেকে সব শুনে এতোটাই মেতে উঠেছিলাম যে গানের লিরিকটি আমি কয়েকদিনের মধ্যেই লিখে ফেলি। সুর দিতে চেষ্টা করলাম, কিন্তু ভালো লাগল না। তারপর ফেলে রেখেছিলাম কাজটা।
সেদিন সুব্রত জানালেন, তাঁর “মেয়ে” বিদিশা শিগ্‌গিরিই পেরুর Amazon Rainforest-এ যাচ্ছেন। ২৭ তারিখ তিনি কলকাতা ছাড়বেন। তার মধ্যেই তাঁকে গানটি দিতে হবে, তিনি তুলে নেবেন, ওখানে গিয়ে তাঁর বন্ধুদের গেয়ে শোনাবেন। – গানটা লিখেছিলামই এমন যে ৫ মাত্রার তাল এসে পড়ে। একটু অন্যরকম হয়ে গেল প্রথমেই। এবারে সুর যদি সহজসরল না হয় তাহলেই চিত্তির। গাইতে গিয়ে চোদ্দবার মাথা চুলকোতে হবে।

গতকাল, বাইশে এপ্রিল, দুপুরবেলা বিস্‌মিল্লাহ্‌ বলে বসে পড়লাম। মিনিট পনেরর মধ্যে, গুরুদের কৃপায়, সুর হয়ে গেল। সন্ধের মুখ পর্যন্ত কেটে গেল music trackগুলো করতে। তারপর voice track. ৬৬ বছর বয়সে এই বংশসূত্রে পাওয়া ভারি গলা নিয়ে আধুনিক গান গাওয়া দুষ্কর। তাও নেহাত দিনে ৫/৬ ঘন্টা রিয়াজ ও কন্ঠ-অনুশীলন করে থাকি তাই কোনোরকমে উৎরে দিলাম। ‘মিক্স’ করতে সময় লাগে। রাত ন’টার মধ্যে ‘মিক্সিং’ শেষ করে সুব্রতকে আর মনীষাকে এমপি-থ্রি পাঠিয়ে দিলাম। মনীষা আর আমি সংসার করি আমাদের ওয়েবসাইটে। অনেক দিন পর আমাদের সংসারেরও কিছু জুটল।

++++++

এমন গান আর কোন্‌ ভাষায় আছে জানি না। শুনিনি অন্তত। কোনও ইউরোপিয় ভাষায় যদি হতো, বা লাতিন আমেরিকায় বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাহলে ‘দেশ’ ও ‘সমাজ’ উদ্‌যাপন করত গানটি। বেতারে বারবার বাজানো হতো। “বাদলবন” সম্পর্কে কিছু বলা হতো। দলমত নির্বিশেষে মানুষ উদ্‌যাপন করত।

আমার সমাজে এর জবাবে অনেক “শিক্ষিত” বাঙ্গালি (চাষী নন, জেলে নন, কারখানার শ্রমিক নন, তাঁতি নন, মিস্ত্রী নন, মুদি নন, নাপিত নন, জমাদার নন, সাধারণ চোর নন, পিক্‌পকেট নন, দেহব্যবসায়ী নন…) ফেসবুকে ও অন্যত্র সম্ভবত আমায় সেই গালাগালই দিতে থাকবেন। আলোচনা চলবে – মমতা-সরকারের কাছ থেকে পুরষ্কার নেওয়ার কারণে আমি “শিরদাঁড়াহীন। মুসলমান হয়েছি – অতএব খারাপ। নাম পাল্টেছি (সত্যিসত্যিই পাল্টেছি রাষ্ট্রীয় অনুজ্ঞায়) অতএব আরও খারাপ – যেন, আমি কোন ধর্ম নেব, নাম পাল্টাব কিনা সব বাংলার “শিক্ষিত” কিছু অপগণ্ডের অনুমতিসাপেক্ষ। এঁদের মধ্যে হিন্দু মুসলমান দুইই আছে। এই দুনিয়ায় বড়জোর বাচ্চাকাচ্চা তৈরি ছাড়া কোনও productive কাজে কিন্তু কেউ নেই। কোথাও কারুর কোনও সর্বজনস্বীকৃত অবদান নেই। এমন কোনও কাজ করেননি যা কোনও শিল্পের কাজে লেগেছে, অন্য মানুষেরও আয় হয়েছে – যে-কাজ আমিও করেছি, কালচার ইন্ডাস্ট্রিতে কর্মরত আরও কেউ কেউ করেছেন ও করছেন।

বেশ করছি কথাগুলো বলছি। আমি কোনও “আদর্শ লোক” নই। আমার মনে ভালবাসা, স্নেহ, মায়া, শ্রদ্ধা, আনন্দ যেমন আছে তেমনি আছে আত্মমর্যাদাবোধ, রাগ, বিদ্বেষ, ঘেন্না, বিরক্তি ও প্রতিশোধস্পৃহা। বছরের পর বছর এই সমাজে যেভাবে (স্রেফ জি-হুজর নই ব’লে) অপমানিত হয়েছি ও হচ্ছি তার পর সব ব্যাপারে সারাক্ষণ মুখ বুজে সব সহ্য করে যাওয়ার মতো আত্মিক নির্বাণ আমি লাভ করিনি, করতে চাইও না। ‘খোলা চিঠি’ আর সম্পাদকীয় আর ‘উত্তর-সম্পাদকীয়’ আর ফেসবুকে দূর থেকে ও আড়াল থেকে যে নপুংসক ক্লীবের দল আমায় গাল পেড়ে গেল ও যাচ্ছে তারা কখনও সামনে আসবে না – সেই বংশপরিচয় তাদের নেই, সেই বাপ পয়দা করেনি তাদের। খিস্তি করলাম। বেশ করলাম। সামনে পেলে মুখগুলোর ওপর আট দশটা music tracks করে দেব। তারপর হবে মিক্সিং। – আমার খুব ভাল লেগেছিল যখন জেনেছিলাম মহামান্য পোপ বলেছেন তাঁর মাকে কেউ গালাগাল দিলে তিনি তাকে ঠ্যাঙাবেন। এটাই। আমার মা বাপ তুলে খিস্তি করেনি কে? রাস্তার নেড়ি কুকুরেরও “জাত” থাকে। বেপাড়ায় রাতবিরেতে কেউ ঢুকলে সেই অচেনা আগন্তুকদের সামনে চলে গিয়ে ঘেউ ঘেউ করেন তাঁরা, এক ধরণের হুঁশিয়ারি দেন, তাঁদের মতো করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। সুমনবিরোধী ও ইসলামবিরোধী “শিক্ষিত” বাঙালিদের সেই “জাত”টাও নেই। – আমার এই কথাগুলো পড়ে যে যা খুশি বলতে পারেন , তাতে আমার কিছু যায় আসে না।

যদি ক্ষমতায় কুলোয় এরকম একটা কাজ করে দেখা। যা…মায়ের কোলে ফিরে যা। বড় আর হবি না – তোদের ধাতেই নেই।

++++++

আশ্চর্য। আমি জানতামও না যে আজ ‘মেদিনী দিবস’। ঠিক এই দিনেই ‘বাদলবন’ গানটি তৈরি হয়ে প্রকাশ্যে এলো।
আজ ২৩ এপ্রিল। ১৯৯২ সালের এই দিনে “তোমাকে চাই” প্রকাশিত হয়েছিল কলকাতার “কলাকুঞ্জ” হলে। লোক যা হয়েছিল (টিকিট ছিল না) তাতে হল ভরেনি। প্রয়াত রবি কিচলু না থাকলে ঐ এলবাম বেরোত না। এইচ এম ভির Artists and Repertoire (in short A&R) বিভাগ “তোমাকে চাই” প্রকশের বিরুদ্ধে ছিলেন। সংস্থার প্রেসিডেন্টও। এলবামের “ডেমো” টেপ শুনে তিনি মন্তব্য করেছিলেন, “This man is at best a third rate bathroom singer. He has no sense of music at all and he has no ability to write modern lyrics.” লিখিতভাবে। রবি কিচলু সেটি আমায় দেখিয়েছিলেন। সংস্থার পাবলিক রিলেশান্স অফিসার ছিলেন এক মহা নামজাদা কাহিনীকার। নাম করছি না। এতোদিনে নিশ্চই (ইতিমধ্যে লোকান্তরিত না হয়ে থাকলে) অন্তর্জলিযাত্রার সময় এসে গিয়েছে। তিনিও একই ধরণের মন্তব্য করেছিলেন – লিখিতভাবে। আমি ছিলাম রবি কিচলু সাহেবের “আবিষ্কার”।
বাংলা গান তখন শেষ। গানের বাজারে লালবাতি। কম্পানির খাতা লাল কালিতে লেখা। এই অবস্থায় সংস্থার মালিক রবি কিচলু সাহেবকে আহ্বান করেন নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার জন্য নতুন একটা বিভাগ খুলে তার দায়িত্ব নিতে। এই বিভাগই আমায় রেকর্ড করেছিলেন। রবি কিচলু বাঙ্গালি ছিলেন না। A&R বিভাগে সবাই বাঙ্গালি। তাই তাঁরা আমার ও “তোমাকে চাই” এর বিরুদ্ধে। আর রবি কিচলু আমায় বলেছিলেন, ” My Son, by recording you I’ll be doing a service to Indian Music.” কোনও বাঙালির মুখ দিয়ে এ-কথা বেরোয়নি। কম্পানির প্রেসিডেন্ট, যিনি আমার সম্পর্কে মধুর উক্তিগুলো করেছিলেন, বাঙ্গালি ছিলেন। Public Relations Officer-ও বাঙ্গালি ছিলেন – এক বিরাট নামজাদা কাহিনীকার।

রবি কিচলু অসুস্থ হয়ে পড়েন, ফলে “তোমাকে চাই” বেচারাকে উৎপাদনের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কেউ ছিলেন না। কেন বাংলা গান বিক্রী হচ্ছে না – তা যাচাই করার জন্য মালিক-সাহেব মুম্বই থেকে এক গান-রেকর্ড-বাজার বিশেষজ্ঞকে নিয়ে এলেন কলকাতায়। শ্রী ঝা। অবাঙালি। খেয়াল করা দরকার। তিনি দমদমে এইচ এম ভির স্টুডিও সংলগ্ন একটি ঘরে বসে একের পর এক ক্যাসেট (তখন আর গ্রামোফোন রেকর্ড নেই) শুনতে লাগলেন। একটিও তাঁর ভাল লাগল না। হঠাৎ তাঁর নজরে এলো – যে টেবিলে তাঁর অডিশনের জন্য মনোনীত ক্যাসেটগুলি ডাঁই করে রাখা তার নিচে একটা ক্যাসেট পড়ে আছে। তিনি জানতে চান ওটা কী। এইচ এম ভির দায়িত্বশীল অফিসাররা জানান – ওটা কিছু না, এলেবেলে, ফালতু একটা ক্যাসেট যার কোনও গুরুত্ব নেই। ঝা সাহবের কী মনে হলো তিনি গোঁ ধরলেন ঐটাই তিনি শুনবেন, ওটা প্লেয়ারে চাপানো হোক। অফিসাররা কাকুতিমিনতি করতে লাগলেন – স্যার, একটা ভুল সিদ্ধান্তের কারণে ওটা রেকর্ড করা হয়েছে। প্লীজ শুনবেন না। সময় নষ্ট হবে। —- শ্রী ঝা নাছোড়বান্দা। তাঁর আদেশে ক্যাসেটটি শোনানো হলো তাঁকে। সাইড এ, তারপর বি। তিনি বললেন – “প্রিন্টিং অর্ডার শীটটা আমায় দিন।” হুকুম পালন করতে বাধ্য অফিসাররা। – শ্রী ঝা (মনে রাখবেন – বাঙ্গালি নন, অন্য অফিসাররা সব্বাই বাঙ্গালি) তাঁর প্রিন্টিং আদেশ লিখলেন। ‘এখনই, আজ রাতের মধ্যে ৩০ হাজার। কাল বাজারে যাবে পুরোটা। সাত দিনের মধ্যে আবার ৩০ হাজার। দু’মাসের মাথায় ৫০ হাজার।

১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারিতেই ৫০ হাজার বিক্রি হয়ে গেল। আমি তখন ব’সে আঁকো রেকর্ড করছি।
সেই ক্যাসেটটা ছিল, বলা বাহুল্য, “তোমাকে চাই।”
শ্রী ঝা-এর বৃত্তান্ত আমায় “তোমাকে চাই”-রেকর্ডিং-এর বাবা রবি কিচলু শুনিয়েছিলেন তাঁর বাড়িতে বসে ১৯৯৩ সালে তিনি চিকিৎসার জন্য মুম্বই চলে যাওয়ার আগে। অতি কঠিন রোগ নিয়ে তিনি মুম্বই যান। ঐ রোগই কেড়ে নিয়েছিল সেই আশ্চর্য সুররসিক, স্নেহশীল, গুণীর সমঝদার, পরিহাসপ্রিয়, প্রকৃত শিক্ষিত, আধুনিক মানুষটিকে আমার মতো “Third Rate Bathroom Singer”দের কাছ থেকে।
কম্পানির মাইনে করা প্রেসিডেন্ট (বঙালি) ঐ যাচ্ছেতাই কথাগুলো আমার ও আমার সৃষ্টি সম্পর্কে লেখার পর রবি কিচলু পদত্যাগ করেন। আমাকে ডেকে পাঠান তিনি। আমায় সব জানালেন। তিনি ছিলেন খোদ মালিক, শ্রী রমাপ্রসাদ গোয়েঙ্কার অনুরোধে ঐ নতুন বিভাগে যোগ দেওয়া লোক। তিনি মালিককে জানালেন – আমার খুঁজে পাওয়া এই গুণী মানুষের কাজ নিয়ে যখন প্রেসিডেন্টের এই মত তার মানে আমার বিচারবিবেচনার আর কোনও দাম নেই। তাহলে আমি চললাম।

হুলুস্থুলু পড়ে গেল। বোর্ড অফ ডায়রেক্‌টর্স থেকে একজন এলেন। অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে রবিদাকে রাখা গেল। সেই বাঙ্গালি প্রেসিডেন্টের শাস্তির ব্যবস্থাও হলো।

“তোমাকে চাই” বেরনোর ব্যাপারে শ্রী ঝা-এর ভূমিকার কথা রবিদাদার কাছে জানার পর আমার ‘ইচ্ছে হলো’ এলবামটি প্রকাশ করার জন্য আমার অনুরোধে এইচ এম ভি শ্রী ঝাকে কলকাতায় নিয়ে এসছিলেন। নিজের চোখে দেখেছিলাম তাঁকে। প্রণাম করেছিলাম। ভদ্রলোক কী সাধাসিধে। উনি ওঁর দায়িত্ব পালন করেছেন মাত্র – বললেন তিনি। উনি যদি না থাকতেন, ‘তোমাকে চাই’ বেরতো না।
এই একটি এলবাম সব পাল্টে দিয়েছিল। আমার গুরুদের আশীর্বাদ।

এটি নাম করে যাওয়ার পেছনে কোনও মিডিয়া বা মতবাদ-শিবিরের বিন্দুমাত্র ভূমিকা ছিল না। এই কারণেই কলকেতার রাঘববোয়ালদের এতো রাগ আমার ওপর। আহা, কৃষ্ণের জীব।

আজ, ২৩ বছর পর আমার মনে পড়ছে প্রয়াত সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কেও, যিনি রবিদাদার বিভগে তাঁর অধীনে কাজ করতেন। খুব বন্ধু হয়ে উঠেছিলাম আমরা। অকালে চলে গেলেন তিনি। – মনে পড়ছে শুভেন্দুদাকেও (শুভেন্দু মাইতি)। আমার গান শুনে তিনি এইচ এম ভি আপিসে গিয়ে সোমানাথের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। আমাদের বাসায় এসে (আমি তখন ছিলাম না) একটা চিরকুট লিখে রেখে গিয়েছিলেন: “সুমন, এইচ এম ভির সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একবার দেখা করো।” – শুভেন্দুদার কাছেও কত উৎসাহ যে পেয়েছিলাম। আমি নিজের ব্যাপারে একটু উদাসীন। আমার গানগুলো নিয়ে রেকর্ডিং-এর জন্য কোথাও যাওয়া – এ আমার ধাতে ছিল না। শুভেন্দুদা যোগাযোগটা না করলে সোমনাথের কাছে যেতাম কিনা সন্দেহ। সোমনাথ আমায় নিয়ে গিয়েছিলেন রবি কিচলুর কাছে।
এই কথাগুলো লিখলাম আমার ছেলেমেয়েদের জন্য, আমার বন্ধুদের জন্য, আমার কাজ যাঁরা ভালবাসেন তাঁদের জন্য।
আধুনিক বাংলা গান দীর্ঘজীবী হোক।

It's only fair to share...Share on FacebookTweet about this on TwitterGoogle+
Website designed and developed by Code Flavor

Facebook

Get the Facebook Likebox Slider Pro for WordPress